আমাদের পৃথিবীর প্রায় সমস্ত রকম জীব ও জড় সমন্ধে কথোপকথন আলোচনা আছে। বইটিতে আকাশ, বাতাস, বৃষ্টি;, বাস্প, জল- স্থল নিয়ে বিস্তারিত লেখা হয়েছে। এছাড়াও মানুষ, পাখি, মাছ, কীট-পতঙ্গ, গাছ পালার জন্যেও জায়গা হয়েছে। তথা বলা যায় যে বইটিতে জগৎ-সিংসার ঠাঁই পেয়েছে।
বাংলা ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষায় "ন্যাচারাল ফিলসফি" ও "ফিজিক্যাল সায়েন্স" পাঠ্য বলে ধার্য করা হয়েছে। বিস্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ মাধ্যম শ্রেণী পরীক্ষায় "স্থিতিবিজ্ঞান" "বারিবিজ্ঞান" ও "বায়ুবিজ্ঞান" পাঠ্য বলে ধার্য করা হয়েছে। এই সব বিষয়ে বাংলা ভাষায় কোন ভালো গ্রন্থ না থাকায় এই পুস্তক খানি সংকলিত।
এই বইটিতে বাংলা ভাষার বর্ণগুলির উত্স, চিহ্ন এবং উচ্চারণ সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলা ভাষা ব্যাকরণের বিভিন্ন বিভাগ বোধগম্য ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। একটা সম্পূর্ণ ব্যাকরণ বই বলতে যা বোঝায় তার সব কিছু বিস্তার আছে। বাংলা ব্যাকরণের সব বিষয় যথা - সন্ধি, শব্দ, ভাষা, সমাস, কারক-বিভক্তি, কাল এবং বাক্য লেখা ও শ্লোকের বিবরণ স্পট করে দেয়া আছে।
অঙ্ক বইটি কয়েক গুচ্ছ প্রাথমিক গণিতের তালিকার সংগ্রহ নিয়ে লেখা। বইটিতে মৌলিক গণিতের নিয়ম ও প্রয়োগ উদাহরণ এবং চিত্রণ এর মধ্যে দিয়ে বোঝানো হয়েছে। অংক করার জরুরি আলোচনা করা আছে।
এই পুস্তক টি ছাত্র ছাত্রী দের বাংলা ব্যাকরণ পড়াতে উপযোগী হয়ে।
বাংলা ভাষায় শিক্ষোপযোগী ইংরেজি ভাষার ন্যায় এই পুস্তকটি প্রস্তুত করা হয়েছে। বইখানি বাংলা ভাষার শিক্ষক ও শিক্ষিকা মহোদয়দের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পুস্তকস্থ প্রায় সমুদায় সূত্র গুলি বিশেষ বিশেষ ইংরেজি অঙ্ক গণিত ও বীজগণিত থেকে উদ্ধৃত হয়েছে এবং সঙ্গতি ক্রমে স্থল বিশেষে বাঙ্গলা রীতিও লেখা হয়েছে। পুস্তক খানি গণনার অঙ্ক থেকে শুরু করে মিশ্রণ, গুণন- ভাজক , দশমিক, অ...
এই পুস্তক টি ছাত্র ছাত্রী দের বাংলা কবিতা পড়াতে উপযোগী হয়ে।
সরকারি বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পাঠোপযোগী খগোলবিবরণ গ্রন্থের অভাব ও অসদ্ভাভ হওয়ায় এই গ্রন্থটি সংকলিত হয়। এই পুস্তকটি বেশ কয়েকটি ইংরেজি গ্রন্থ থেকে সংকলিত এবং অনুবাদিত। পুস্তকটি জ্যোতির্বিষয়ক ইতিহাস, সৌরজগৎ, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, পৃথিবী, চন্দ্র সমূহের বিশদে আলোচনা আছে।
ভূ বিদ্যা পুস্তকটি পৃথিবীর বিবরণ ভালোভাবে দেওয়া আছে। পুস্তকটি সাধারণত প্রাকৃতিক ভূ বিবরণ নিয়েই সংকলিত। এই পুস্তকে ভূ বিদ্যা বিষয়ক নিতান্ত আবশ্যক কথা গুলি লেখা হয়েছে। ছাত্রদিগের সুবিধার্থে চিত্র সহকারে প্রতি অধ্যায় শেষে প্রশ্নাবলী দেওয়া রয়েছে।
ইউক্লিডের জ্যামিতি শাস্ত্রের বঙ্গানুবাদ বিদ্যালয়ের পাঠ যোগ্য ভাবে প্রকাশ পায়নি বলে এই পুস্তক খানি ছাপানো হয়েছে। এই গ্রন্থ খানি সিম্সন প্রণীত ইউক্লিডের জ্যামিতি অবলম্বনে লেখা হয়েছে। ইউক্লিডের প্রায় সকল প্রতিজ্ঞাই চার প্রধান অংশে বিভক্ত; যথা - ১. সাধারণ সূত্র, ২. বিবরণ সূত্র, ৩. অঙ্কন ও ৪. প্রমাণ বা উপপত্তি। কেউ কেউ অববারণ ও উপসংহার এই দুটি অংশ ও নির্দেশ করেন।
বাংলা ও ইংরেজি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীগণ কোনো বিষয়ের সামান্য প্রশ্ন করলে উত্তর করতে অসুবিধা হয়। যেহেতু বিদ্যালয়ে শুভঙ্করী অঙ্কের শিক্ষা দেওয়া হয়না। তদানীন্তন বাংলার লেফটেনেন্ট গবর্নর বাহাদুর এ বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ প্রদর্শন করেছিলেন আর বাংলা বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রী দের এই পুস্তকটি পাঠ্য বলে নির্দিষ্ট হয়েছিল । পাঠশালা গুলিতে শুভঙ্করী অঙ্কের অধিক পরিমানে শুরু হয়...
এই পুস্তক টি ছাত্র ছাত্রী দের অর্থনীতি পড়াতে উপযোগী হয়ে।